ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী বিয়ে বয়কট করুন | ডিভোর্সী ও বিধবা এক নয়


ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী বিয়ে বয়কট করুন

ডিভোর্সী ও বিধবা এক নয়

একজন ডিভোর্সী নারী পুরুষকে শোষণ করে নারীবান্ধব কালো আইনের দ্বারা


সারাংশঃ

আধুনিক উগ্র নারীবাদ, ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করতে নিরীহ পুরুষদের অনৈতিক টোপ দেয়। তারা ফ্যাশনের নাম করে যৌনতাকে উসকে দেয় এমন কাপড় পরিধান করে আর বলে নারীর স্বাধীনতা, মুক্তি চাই। এছাড়াও বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর অপ-যুক্তি দেখায়, ধর্মীয় ও সামাজিক বিধানের অপব্যাখা করে এবং কোন প্রকার সামাজিক শৃঙ্খল মানে না।


সুতরাং, একজন উগ্র নারীবাদী ডিভোর্সী পুরো সমাজের জন্য দারুণ অকল্যাণকর ও জাতির জন্য ধ্বংসাত্মক। যা একটি রাষ্ট্রকে উন্নতির পথে ব্যার্থ করে তোলে।

মূলত, বিধবা নারী বিয়েতে কোনও নীতিগত সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় বাধা নেই। কিন্তু ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারীকে বিয়ে করা হতে পুরুষ সমাজের বিরত থাকা উচিত। যাতে আর কোনও পুরুষের জীবন নষ্ট না হয়, আর কোনও সন্তান মা হারা না হয়, আর কোনও পরিবার বলি না হয় নির্লজ্জ পরকিয়ার।

এখানে মূল আলোচ্য বিষয়, কিভাবে নারীবাদ কপচিয়ে উগ্র নারীবাদী ডিভোর্সি নারীরা অবলা সেজে বিবিধ সুবিধা অন্যায়ভাবে বাগিয়ে নেয় রাষ্ট্র, সমাজ ও ধর্মের নাম ভাঙ্গিয়ে । কিন্তু দিনশেষে দায়িত্বের বোঝা কলুর বলদের মতো কেবল পুরুষকেই বইতে হয়। তারপরেও এই সমাজ ধর্ম রাষ্ট্র কেবল পুরুষকেই দোষারোপ করে।


পুনশ্চঃ আমরা নারীদের সম্মান করি, উগ্র-নারীবাদীদের না। আমরা এখানে ঢালাওভাবে সব নারীদের নিয়ে কথা বলিনি। আমরা এখানে মূলত ডিভোর্সী উগ্র-নারীবাদী নারীদের নিয়ে আলোচনা করেছি  ]


মূল বক্তব্যঃ

বিগত কয়েক দশকের পৃথিবীব্যাপী পারিবারিক নৃশংসতার ঘটনাবলীগুলো ইন্টারনেট ঘেঁটে এবং মানবাধিকার ও সমাজবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর জরিপ একটু সময় নিয়ে দেখলে আমরা সহজেই বুঝতে পারবো যে, ডিভোর্সের হার কতোটা ভয়ানক গতিতে বেড়েই চলেছে। 

একজন ডিভোর্সী নারী, ডিভোর্স দেয়ার ফলে একজন পুরুষের ঘর ভাঙ্গে, সন্তানদি মা হারা হয়। সেইসাথে পুরুষটির জীবনীশক্তি খরচ করে সংসার গড়বার লক্ষ্যে টাকা - পয়সা - সময় - শ্রম - বুদ্ধি - স্বপ্ন ইত্যাদি সমস্ত কিছুর বিনিয়োগ একেবারেই বিফলে যায়। অথচ পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রই পুরুষের এতোসব টাকা - পয়সা - সময় - শ্রম - বুদ্ধি - স্বপ্ন ইত্যাদি সমস্ত কিছুর বিনিয়োগকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে একপাক্ষিকভাবে কেবল নারীকেই সহায়তা করে এবং পুরুষটিকে শোষণ করে নারীতান্ত্রিক কালো আইনের দ্বারা

সেই নারীই যখন ডিভোর্সের পর ব্যাপক পরিমাণ অবসর পায়, তখন আরেক পুরুষের সুখের সংসারে নাক ঢুকায়, উদ্ভট যৌনমুখর খোলামেলা পোশাক পরিধান করে ফ্যাশন ও নারী স্বাধীনতার নামে এবং সমাজের সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত করে। ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী তার নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নিজের অখন্ড অবসরে কর্মজীবী পুরুষকে অবাধ যৌনতায় প্রলুব্ধ করতে পারে লিভ টুগেদারের মাধ্যমে, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে খোলামেলাভাবে তুলে ধরে।

এছাড়াও ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদী তার জীবনমান ঠিক রাখতে,
সুগার ড্যাডি (যে নারী টাকার বিনিময়ে পিতাসমান পয়সাওলা বৃদ্ধকে অবৈধ যৌন সুখ দেয়) ,
সুগার মম (যে নারী টাকার বিনিময়ে ছেলের বয়সী কাউকে দিয়ে অবৈধ যৌন সুখ নেয়),
গোল্ড ডিগার (যে নারী মিথ্যে ভালোবাসা দেখিয়ে নিরীহ পুরুষকে উদ্দাম যৌনতায় প্রলুব্ধ করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়),
ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড (যে নারী টাকার বিনিময়ে যে কোনও বয়সী পুরুষের সাথে যেখানে সেখানে অবৈধ যৌন সুখ দেয়ার ব্যবসা করে),
রেন্ডম হুক-আপ (যে নারী নিয়মিত যখন ইচ্ছা যার-তার সাথে কেবল একরাতের জন্য শুতে দ্বিধা করে না),
ফরমাল প্রস্টিটিশন (যে নারী সংঘবদ্ধ হয়ে দলগত ভাবে নিয়মিত শরীর ব্যবসা করে। যেমনঃ দৌলতদিয়া, সোনাগাছি, বেবীস্ট্যান্ড ইত্যাদি পতিতালয় ),
ইনফরমাল প্রস্টিটিশন (যে নারী অনিয়মিত শরীর ব্যবসা করে )...

ইত্যাদি কর্মকান্ডের মাধ্যমে কর্মজীবী নিরীহ পুরুষদের বেছে বেছে প্রলুব্ধ করে এবং নানা রকমভাবে টাকা-পয়সা অর্থকড়ি-সম্পদ হাতিয়ে নেয়।
 
এছাড়াও, মিথ্যে নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়া তো দুধ ভাত। আজকাল বহুলভাবে দেখা যায় উগ্র নারীবাদী নারী স্বেচ্ছায় পুরুষকে যৌনতায় প্রলুব্ধ করে যৌনকর্ম করে, কিন্তু পরে পুরুষকে ফাঁসিয়ে দেয় মিথ্যা ধর্ষণ, বৈবাহিক ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, নির্যাতন এইসব বানোয়াট মিথ্যে মামলার মাধ্যমে।

বর্তমান সমাজব্যবস্থায় ডিভোর্সীকে ভৎসনা করার পরিবর্তে উগ্র নারীবাদীরা সামান্য কারণেই নারীদের ডিভোর্স নিতে উসকে দিচ্ছে নারী স্বাধীনতার মূলা দেখিয়ে। যেখানে সমাজ, রাষ্ট্র ও ধর্মের বিধিনিষেধের পাশাপাশি বিজ্ঞান ( Sex and Cultures (1934) by JD Unwin ) প্রমাণ করে দিয়েছে নারী ও পুরুষ সমান নয়, সেখানে সম-অধিকারের নামে উগ্র নারীবাদীরা নারীদের ডিভোর্স নিতে প্রলুব্ধ করে
 
আবার, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হিপোক্রেসি বা ভন্ডামি দেখিয়ে পুরুষের পকেট কাটে খোরপোশ, দেনমোহর, ভরণপোষনের নামে।

রাষ্ট্রকে এ কাজে চরম অন্যায়ভাবে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে উগ্র নারীবাদীরা। মূলত, উগ্র নারীবাদীরা সুন্দর সুখী পরিবারগুলোতে ডিভোর্স করিয়ে লেজকাটা শেয়ালের মতো নিজেদের সংসার ভেঙেছে বলে অন্য সুখী নারীদেরও সংসার ভাঙতে উন্মুখ থাকে।

আজ উগ্র নারীবাদীরা সম অধিকারের নাম করে সমাজে পুরুষ বিদ্বেষমূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন করে নারী সুরক্ষার কালো আইনের মূলা দেখিয়ে নিরীহ পুরুষের জীবন তছনছ করছে।

প্রশ্ন থেকেই যায়,
এইযে উগ্র নারীবাদীরা সম অধিকারের কথা বলে বলে সমাজের নিরীহ মানুষ ও নতুন প্রজন্মকে ব্রেইনওয়াশ করছে, বিভিন্ন যুক্তি দেখাচ্ছে... বলছে নারীরা নাকি পুরুষের সমান সবদিক দিয়ে।

তো, উন্নত বিশ্বের এই সম-অধিকারের ধ্যান-ধারণার কারণেই তো আজ তাদের পরিবার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। বাচ্চারা বড় হচ্ছে ফস্টার হোমে, জারজ বাচ্চাদের সংখ্যা বাড়তেসে, কেউ বিয়েই করতে চাচ্ছে না। কারণ ডিভোর্স দিলেই নারী অনেক টাকা পায়।

আবার, সেইসব উন্নত দেশের সরকার ঘোষণা দিচ্ছে বাচ্চা নিলেই সরকার থেকে পুরস্কার, বিয়ে করলেই পুরস্কার। তাহলে মিথ্যে বস্তাপঁচা উগ্র নারীবাদী আদর্শ এই দেশে বাস্তবায়ন করার মূল উদ্দেশ্য কি ? আমাদের মা - বোনদেরকে নারী স্বাধীনতার নাম করে ঘর থেকে বের করে উলঙ্গ করতে উগ্র নারীবাদীরা এতো আগ্রহী কেন ?

ফলশ্রুতিতে, সমাজে বেড়ে যায় পরকিয়া। তৈরি হয় বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ যৌন সঙ্গমের ব্যাপক সম্ভাবনা। এবং অসংখ্য পিতৃ-মাতৃহীন অবৈধ জারজ সন্তান জন্মদানের সংখ্যা।

কেননা যে বাঘিনী একবার রক্তের স্বাদ পায়, সে বাঘিনী বারবার রক্ত চায় যেভাবেই হোক না কেনো। তেমনি যে বিবাহিত নারী পৌরুষের সঙ্গতে দারুণ মজা পায় এবং সংসার ভাঙতেও দ্বীধা করেনা। সে নারী ডিভোর্সের পরে পৌরুষের সঙ্গ পেতে মরিয়া হয়ে হঠে, মেতে ওঠে বিবিধ পাপাচারে।

ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারী মূলত পঁচে যাওয়া ফল, যা ফেলে দিতে হয় ডাষ্টবিনে। নতুবা ভালোদেরও নষ্টাতে পরিণত করে।

ভিন্ন দৃষ্টিতে,
খেয়াল করলে দেখবেন, ফলবতী গাছ ও পশুর যত্ন আত্তি যেমন হয়ে থাকে তেমনই যত্ন আত্তি কিন্তু ফলহীন কোনও গাছ বা পশু পায়না। ডিভোর্সী নারী হলো ফলহীন গাছ। বাগানের ফলবতী গাছের যত্ন আর আগাছার যত্ন সমান হয় না।

ডিভোর্সী নারীরা সেই আগাছার মতো, যে নিজে তো অন্যের প্রাণরস শুষে নেয়। আবার, নিজের স্বার্থে হিতকারী অন্যকেও ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পাঠায়।

বস্তুত, ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারী সমাজের জন্য কোনও মঙ্গল বয়ে আনেনা। তারা কেবল সমাজে নষ্টাদের সংখ্যা বাড়িতে তোলে। ক্যান্সার হলে যেমন সে অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়। ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারীও তেমনি সমাজ থেকে ছেঁটে ফেলে দিতে হয়।

কিন্তু, বিধবা নারীর হিসেবটা ভিন্ন। বিধবাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো উচিত। কারণ সেটা মৃত্যু, সেটা প্রকৃতি দ্বারা ঘটিত।
 


ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদীদের কেনো বয়কট করা উচিতঃ

ডিভোর্সিদের কেনো বয়কট করা উচিত

যদিও সব ডিভোর্স কাহিনী সমান নয়, কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর বেশিরভাগ ডিভোর্স কাহিনীই একই রকম। সব ডিভোর্সি নারীর একই অভিযোগ থাকে, স্বামী মারে, মদ খায়, ভরণপোষণ দেয় না, পরকীয়া করে, নারীর উচ্চবিলাসী আবদার মেটায় না, নারীকে চাকরি করতে দেয় না, নারীকে স্বেচ্ছাচারী স্বাধীনতা দেয় না ইত্যাদি...

তো চলুন দেখে নেয়া যাক, কেনো ডিভোর্সিদের কেনো বয়কট করা উচিত

কারণ #

ডিভোর্সের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা

গুরুজনেরা বলে গেছেন, ইজ্জত যায়না ধুইলে, স্বভাব যায় না মরলে

সঙ্গত কারণে বোঝা যায়, যে নারী একবার স্বামীর অবাধ্য হয়ে ডিভোর্স দিয়েছে তার পক্ষে দ্বিতীয়বার স্বামীর অবাধ্য হওয়া অনেক সহজ। যেমনঃ অভিনেত্রী মিথিলা, শ্রাবন্তী, পরীমণি, ৭১ টিভির সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মুন্নি সাহার কাহিনী ইত্যাদি
 
তাছাড়া এমন তো নয় বিয়ের জন্যে কুমারী মেয়ের অভাব পড়েছে। সুতরাং, উগ্র নারীবাদী ডিভোর্সিদের বয়কট করা উচিত

কারণ #

পেশায় কাবিন ব্যবসায়ী হতে পারে

বর্তমান যুগে কাবিন ব্যবসা একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে উগ্র নারীবাদীদের জন্যে। সমাজ ও রাষ্ট্র অন্ধভাবে সাহায্য করে যাচ্ছে নারীদের।

উগ্র নারীবাদী নারীরা বিয়ের আগে ভালো সেজে পুরুষের সামর্থ্যের চেয়ে বেশি কাবিন ধার্য করে। তারপর কয়েকমাস যেতে না যেতেই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সরকারি নারী সুরক্ষা আইনের আওতায় নারী নির্যাতন, বৈবাহিক ধর্ষণ, মানসিক অত্যাচার, মিথ্যে যৌতুকের মামলা ইত্যাদির ভয় দেখিয়ে ডিভোর্স দেয়। কারণ, ডিভোর্স দিলেই তো কাবিনের কাড়ি কাড়ি টাকা পেয়ে যায়।

তো এভাবে যদি ১ বছরে অন্তত দুইটি বিয়ে করা যায়, তাহলে তো বিয়েপ্রতি কাবিন ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা হলে মিনিমাম ১০ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা ইনকাম।

অথচ ভাবুন, ১০ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে একটা পুরুষকে কি পরিমাণ কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। তার উপরে আবার চাকরির বাজারে নারী কোটা, শিক্ষা ক্ষেত্রে নারী কোটা, নাগরিক সম-অধিকারে নারী কোটার মাধ্যমে পুরুষকে দমিয়ে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে

উগ্র নারীবাদীরা এই উপায়েই ডিভোর্স দিয়ে কাবিন ব্যবসা করতেছে। সুতরাং, উগ্র নারীবাদী ডিভোর্সিদের বয়কট করা উচিত

কারণ #

মানসিকভাবে অতীতে বসবাস
একজন পুরুষের জীবনের সবচেয়ে দুঃখ-কষ্টের মুহূর্ত হলো, যখন পুরুষ নিজের জীবন-যৌবন বিসর্জন দিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোজগার করে। কেবলমাত্র স্ত্রীকে পরিবারকে একটু বেশি সুখে রাখবে বলে, কিন্তু সেই স্ত্রী যদি তার অতীত ভুলতে না পারে তাহলে এটা রীতিমতো ব্যথাদায়ক। গবেষণা বলছে নারীরা অতীত সহজে ভুলতে পারেনা

মনে রাখবেন, কাঁঠাল গাছে যেমন কখনও করলা ধরেনা তেমনি যে নারী ডিভোর্স দিয়ে সংসার ভেঙেছে সে আর কখনও প্রথমবারের মতো আবেগ নিয়ে সংসার করবে না। রতিবারই সে একই রকমের ঘটনাগুলোকে পুরোনো সংসারের সাথে তুলনা করবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে নারীরা অতীত মনে রাখতে বেশি দক্ষ। যদিও এটা নারীরা মুখে স্বীকার করে না কিন্তু ঠিকই নারীদের কার্যক্রমে প্রকাশ হয়। যেমনঃ মনোমালিন্য হলে নারীরা দশ বিশ বছর আগের ঘটনাকেও টেনে এনে তুলনা দিতে দ্বিধা করেনা।

কারণ #

একাধিক যৌন সঙ্গী

চোরকে কেউ বিশ্বাস করে, কিংবা ডাকাতকে?
পতিতাকে কেউ বিশ্বাস করে , কিংবা চরিত্রহীনকে?

যারা বাড়িতে বিড়াল কিংবা কুকুর পোষেন তারা জানেন...
বিড়াল কিংবা কুকুরের মালিক যতই ভালো ভালো খাবার খাওয়াক না কেন সুযোগ পেলেই কুকুর ডাস্টবিনে মুখ দেবে আর বিড়াল অন্যের পাতে।

মানুষের স্বভাবও তাই,
যে নারী বিয়ের মাধ্যমে ডিভোর্স করে করে একের অধিক পুরুষের সাথে শুয়ে মজা পেয়েছে, সে সুযোগ পেলেই আরেকটু বেশি সুখের আশায় ঘরের নিরামিষ ছেড়ে বাইরের বিরিয়ানি খাবে না তার শতভাগ নিশ্চয়তা কে দেবে ?

উপরন্তু, বিয়ের জন্যে কুমারী মেয়ের অভাব পড়েছে এমন তো নয়। সুতরাং, কুমারী বিয়ে করুন এবং উগ্র নারীবাদী ডিভোর্সিদের বয়কট করুন।

কারণ #

অন্যের বাচ্চা পালন চাপিয়ে দিতে পারে
 
কাকের বাসায় কোকিলের ডিম পাড়ার ঘটনা নিশ্চয় শুনেছেন সকলেই...
ডিভোর্সি নারীর এক পুরুষের সন্তান ওপর পুরুষের কাছে পালনের ব্যাপারটাও একই রকম। যে নারী নিজেই দয়া-মায়াহীন হয়ে মাসুম বাচ্চার কথা না ভেবে পাষাণের মতো একটা সংসারকে পায়ে ঠেলে দিলো।

সেই ডিভোর্সি নারীকে অবলা ভেবে তার সন্তান পালন করতে গিয়ে দুধভাত দিয়ে সাপ পুষছেন না তো ?
হে পুরুষ ভাবুন, যখন আপনার নিজের সন্তান হবে সে কি রকম যত্ন পাবে !

কারণ #

সবকিছুই বিগত সংসারের আলোকে বিচার করা

অনেক ডিভোর্সি আছেন অতীত থেকে বের হতে পারেন না। ডিভোর্স হওয়ার পরেও যদি ২য় বিয়ে করে তো সেই সংসারের সবকিছু আগের সংসারে সাথে মিলাতে চায়। সে মনে মনে হয়তো কামনা করবে আগের সংসারের মতো ঘর সাজাবে, রান্নাঘর গুছাবে ইত্যাদি।

কিন্তু সমস্যা হলো, একজন পুরুষ হয়ে আপনি কি এটা মানতে পারবেন যে আপনার স্ত্রী আপনার বুকে মাথা রেখে অতীতের স্বামীকে নিয়ে মনের গোপনে স্মৃতিচারণ করবে। নিশ্চয় না।

যেহেতু, এগুলো মানসিক বেপার তাই সে না পারবে স্বামীর সাথে শেয়ার করতে না পারবে কাউকে বলতে। মাঝে থেকে সংসারও মন দিয়ে করতে পারবে না বা করার ভান করবে। সেজন্যে বিপদ ডেকে না এনে ডিভোর্সি বাদ দিয়ে কুমারী বিয়ে করুন, সুখী হবেন

কারণ #

দ্বিমত পোষণ কিংবা গোপন বিরুদ্ধাচারণ

এটা প্রমাণিত সত্য যে, জীবনের প্রথম যে চাকরিটা করবেন তাতে স্বাভাবিক ভাবেই অনেক কিছুই শিখে যাবেন কষ্ট হলেও। এরপরে চাকরি বা অফিস বদল হলেও পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজেকে সেয়ানা প্রমাণ করে টিকে থাকতে পারবেন অনায়াসেই।

বিয়েও তাই, প্রথমবার বিয়ে হলে একটা নারীকে নতুন করে সবকিছু শিখতে হয়। শেখার এই সময়ের টানাপোড়েন টাই জীবনকে স্মৃতিমধুর করে তোলে। কিন্তু একজন ডিভোর্সির ক্ষেত্রে আপনি নতুনত্ব পাবেন না।

ডিভোর্সির ক্ষেত্রে, সে জানে পুরুষকে কিভাবে সামলাতে হয়। সে আগের সংসার সামলিয়ে ঝামেলা করেই ডিভোর্স নিয়ে এসেছে। তার এই অভিজ্ঞতায় আপনি স্বামী হিসেবে পিছিয়ে থাকবেন। ফলে স্বামী হিসেবে আপনার স্ত্রী হবে আপনার সিনিয়র বসের মতো।

ফলশ্রুতিতে, ডিভোর্সি নারী সব ক্ষেত্রেই আপনার চেয়ে নিজের মতামতকে খাটাতে দ্বিমত পোষণ করতে পারে কিংবা গোপন বিরুদ্ধাচারণ বা নিজ পরিবারের সাথে শলাপরামর্শ করে আপনার নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাতে পারে। তাই সাধু সাবধান, বিয়ের বাজারে কুমারী মেয়ের অভাব পড়েনি যে বেছে বেছে পঁচা শামুকে পা কাটবেন

কারণ #৮

নেতিবাচক মানসিকতা

ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারীরা বেশিরভাগ সময় ডিভোর্সের পরে পরিচয় সংকট (Identity crisis) ও হীনমন্যতায় (Inferiority complex) ভোগে। যেহেতু ঝামেলা করেই এক সংসার থেকে তালাক পেয়েছে সেজন্যে ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদীরা পুরো দুনিয়াটাকে নিজের মতো ভাবে। নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে চায়।

ডিভোর্স পরবর্তী সংসারে ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারীরা স্বামীর বাড়ির প্রতিটা কথাকেই তিরস্কার রূপে দেখে। সেই দেখায় না থাকে সাংসারিক দায়বদ্ধতা, না থাকে স্বামীর পরিবারের মুরুব্বিদের সাথে মানিয়ে নেয়া, না থাকে স্বপ্রতিভ প্রাঞ্জলতা।

এজন্যে যদি ডিভোর্সীকে বিয়ে করতেই হয় তবে তার আগের বিয়ের তালাকনামায় তালাকের কারণ দেখবেন। এছাড়া ডিভোর্সীকে বিয়ে করলে ২য় বা ততোধিক হিসেবে বিয়ে করবেন। এমনিতেও দেশে-বিদেশে পুরুষের তুলনায় নারীর আনুপাতিক হার বেশি। অর্থাৎ সব পুরুষ ১টি করে বিয়ে করলেও অসংখ্য নারী অবিবাহিত রয়ে যাবে।

কারণ #৯

বহুকিছু বিসর্জন দিতে হয়

অনেক পুরুষ আগ বাড়িয়ে ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদী নারীর দায়িত্ব নিতে চায় বিয়ের মাধ্যমে। কিন্তু তারা ভবিষ্যৎটা দেখতে পায় না। একবার সংসার করে আসা নারী জানে পুরুষের নাকে দড়ি দিয়ে কিভাবে ঘোরাতে হয়।

পুরুষের এই আবেগকেই পুঁজি করে ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদী নারীরা। নেকু নেকু ঢং করে অযৌক্তিক উচ্চভিলাষী ইচ্ছা আকাঙ্খা চাপিয়ে দেয় বেচারা স্বামীর কাঁধে। সেই অযৌক্তিক উচ্চভিলাষী ইচ্ছা আকাঙ্খা পূরণ করতে না পারলেই খোঁটা দেয় ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদী নারী তার স্বামীকে।

বলে, ভরণপোষণ করতে না পারলে বিয়ে করেছিলে কেনো। তারপর থেকে একদম মাথায় ছোড়ে বসে স্বামীর, তখন স্বামীকে জীবনের বহুকিছু বিসর্জন দিতে হয়। নিজের সুখ আহ্লাদ ভুলে কেবল স্ত্রীর প্রয়োপযোন মেটাতে হয় বেচারা স্বামীকে।

এজন্যেই ডিভোর্সি বিয়ে করা হতে বিরত থাকা উচিত সচেতন পুরুষদের। এমন তো নয় বিয়ের জন্যে কুমারী মেয়ে দেশে আর নেই। তাহলে সারা জীবনের জন্যে কেন সেকেন্ডহ্যান্ড ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদী নারীকে বয়ে বেড়াবেন? যদি করতেই চান তবে ২য় বা ততোধিক স্ত্রী হিসেবে ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদী নারীকে সুযোগ দিন।

কারণ #১০

মানুষ তার সহজাত প্রবৃত্তি কখনো ভুলে না

অধিক কাবিন ধার্য করে ভালো পরিবারে বিয়ে করার লোভে অল্প সময়ের জন্যে বহু ডিভোর্সি ভালো সাজলে ধরার উপায় নেই। যদি ডিভোর্সি বিয়ে করতেই হয় তবে মনে রাখবেন, সাপ যতবারই তার চামড়া ছাড়ুক না কেন, সে সবসময় সাপই থাকবে।

যদি ডিভোর্সি বিয়ে করতেই হয় তবে অবশ্যই ডিভোর্সি নারীর আগের বিয়ের তালাকনামা দেখবেন। অনেক সময় পূর্বের স্বামীকে অধিক কাবিনের লোভে কিংবা পরকীয়া বা অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে ধরা পড়ার পরে হয়তো পুরুষটি ডিভোর্স দিয়েছে নারীটিকে। সেক্ষেত্রে দেখবেন তালাকনামায় ডিভোর্সি নারীর আগের স্বামী ডিভোর্সের কি কি কারণ উল্লেখ করেছেন।

এক পুরুষের সংসার পায়ে ঠেলা নারী দশ পুরুষের সংসারকেও পায়ে ঠেলতেও দ্বিধা করবে না।

যেমনঃ অভিনেত্রী মিথিলা, শ্রাবন্তী, পরীমণি, অপু বিশ্বাস, ডাক্তার আকাশের মৃত্যু, ক্রিকেটার আলামিনের কাহিনী, বগুড়ার মিন্নি কর্তৃক স্বামী রিফাত শরীফ হত্যা, ৭১ টিভির সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মুন্নি সাহা, ক্রিকেটার রুবেলের কাহিনী ইত্যাদি

কারণ #১১

ত্যাগ নয় বরং সমঝোতা করতে প্ররোচিত করে

বেশিরভাগ ডিভোর্সি নারী সংসার করতে গিয়ে দায়িত্বের পাশাপাশি নিজের অযৌক্তিক উচ্চবিলাসী ইচ্ছা-আকাঙ্খা স্বামীর ওপর চাপিয়ে দেয়। আর আশা করে স্বামী নিজের জীবন তুচ্ছ করে স্ত্রীর সেইসব অযৌক্তিক উচ্চবিলাসী ইচ্ছা-আকাঙ্খা পূরণ করবে।

নারীবাদীরা বলে, স্ত্রী নাকি সংসারের কাজ করতে বাধ্য নয়। অথচ সেইসব নারীবাদীরাই আবার স্বামীর সম্পদে ভোগদখল করতে চায় বিনা দায়িত্ব পালন করে। এর ফলে বেশিরভাগ পুরুষ সইতে না পেরে ডিভোর্স দেয়।

সেজন্যে বলছিলাম, ডিভোর্সি নারীবাদীরা তাদের অযৌক্তিক উচ্চবিলাসী ইচ্ছা-আকাঙ্খা ত্যাগ তো করেই না বরং স্বামীকেই সমঝোতা করতে প্ররোচিত করে। তাই পুরুষদের উচিত উগ্র নারীবাদী ডিভোর্সিদের বয়কট করা।

কারণ #১২

কৌশলে আবেগ দেখিয়ে স্বার্থ হাসিল
 
একথা অনস্বীকার্য যে, নারীর চোখের পানি আর নারীর ছলনা অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা দুর্বল মাকুন্দা পুরুষদের নাই। বেশিরভাগ নারীই নিজের উচ্চাকাঙ্খা পূরণের লক্ষ্যে বিয়ের পরে ছলনা করে স্বামীর মন ভোলায়। আবার বিয়ের আগেও নারীবাদী ডিভোর্সিরা বহু ছল-চাতুরী করে পুরুষকে ফাঁদে ফেলে।

যারা মানুষ চরায় খায় তাদের কথা খুব মিষ্টি শোনায়, যেমনঃ মার্কেটিং সেলসম্যান, হকার । ঠিক তেমনিভাবে নারীবাদী ডিভোর্সিরা জানে কোন কৌশল করলে সহজে পুরুষ থেকে স্বার্থ হাসিল করতে পারবে সহজেই। কারণ নারীবাদী ডিভোর্সিরা ডিভোর্স দেয়ার ফলে ইতোমধ্যেই এক বা একের অধিক পুরুষ চরিয়ে এসেছেন।

নারীবাদী ডিভোর্সিদের কিছু কৌশল যেমনঃ স্বামীকে হাতের মুঠোয় রাখার চেষ্টা, স্বামীর পরিবারের থেকে নিজের পরিবারকে বেশি গুরুত্ব দেয়া, স্বামীকে স্ত্রী তার নিজের বাপ-মায়ের কুবুদ্ধি দ্বারা চলতে কৌশল করা, স্বামীর পরিবারকে স্বামীর চোখে খারাপ বানিয়ে তোলা ইত্যাদি

কর্মজীবী পুরুষের জন্য এতো কূটকৌশল মোকাবিলা খুব জটিল ও সময়সাধ্য। তাই বিয়ে যখন করবেন তখন ডিভোর্সি কেন ? কুমারী বিয়ে করবেন
 

পর্যালোচনাঃ

উপরোক্ত কারণসমূহ, বিভিন্ন সমাজ বিজ্ঞানীদের জরিপ এবং মেডিকেল সাইন্সের বিভিন্ন ফলাফল একটু পর্যালোচনা করলে সহজেই বুঝতে পারবেন ডিভোর্সী নারী সমাজের জন্য কতোখানি ধ্বংসাত্মক।

ধরুন, একটি গাছ রোপণ করেছেন। সময় এলে গাছটি আমের ফলন দিলো। আপনি কি চাইলে সেই গাছে কখনও কাঁঠাল ফলাতে পারবেন ? তেমনি, যে নারী একবার সংসার ভাঙে সে নারীর আরও সহস্রবার বিবাহ হলেও সুখী হতে পারেনা।

মনে রাখবেন, করলা গাছে যেমন কখনও মিষ্টি আম ধরেনা তেমনি যে নারী ডিভোর্স দিয়ে সংসার ভেঙেছে সে আর কখনও প্রথমবারের মতো আবেগ নিয়ে সংসার করবে না। সে বারংবার পুরোনো সংসারের সাথে সবকিছু তুলনা করবে। যদিও মুখে স্বীকার করবে না কিন্তু ঠিকই তার আগুনে সে নিজে জ্বলবে এবং আশেপাশের সবাইকে জ্বালাবে।

সুতরাং, হে পুরুষ আপনি কেনো জেনেশুনে ওমন একজন নারীকে বিয়ে করবেন ? সে যে পুনরায় সামান্য ব্যাপারে আপনার সাথে ডিভোর্সের ঘটনাটি ঘটাবে না তার নিশ্চয়তা কি ?
কথায় বলেনা, চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনি আর কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না।

সবচেয়ে বড়ো কথা, একজন পুরুষ যে কিনা জীবনে প্রথমবার বিয়ে করবেন বলে হাজারো স্বপ্ন দেখেছেন। সে কেনো একজন সেকেন্ড হ্যান্ড ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করবেন ? কোন যুক্তিতে ?

মনে রাখবেন, ভালো ফলের সাথে পঁচা ফল রাখলে, ভালো ফলগুলোতে পচন ধরতে সময় লাগেনা। তখন কিন্তু ফলের মালিক ভালো ফল ও পঁচা ফল আলাদা করে রাখেন। যাতে ভালো ফলগুলির গুণগত মান ও সজীবতা রক্ষা পায়।

তেমনি ডিভোর্সি নারীবাদী নারীদের কোনওরূপ সহানুভূতি না দেখিয়ে পূর্ণভাবে বয়কট করতে হবে। যাতে এক ডিভোর্সী নারী, অন্য সাধারণ নারীকে ডিভোর্স নিতে প্রলুব্ধ করতে না পারে। সেইসাথে সমাজব্যবস্থায়ও যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবার সুযোগ না থাকে।
 

ডিভোর্সি নারীর ব্যাপারে পুরুষের সাবধানতাঃ

নিরুপায় হয়ে কোনো ডিভোর্সি নারীবাদীকে বিয়ে যদি করতেই হয় তবে প্রথমে অবশ্যই কুমারী বিয়ে করুন। এরপর ২য় বা তার অধিক স্ত্রী হিসেবে ডিভোর্সি নারীবাদী গ্রহণ করুন ইচ্ছেমতো।

সামান্য ৫ টাকার সবজি কিনতে গেলে কেউ বাসি পুরোনো সবজি কেনে না। যেখানে বিয়েটা পুরো জীবনের ব্যাপার, সেখানে কেনো কয়েক ঘাটের পানি খাওয়া ডিভোর্সি নারীবাদীকে বিয়ে করে খাল কেটে কুমির আনবেন ? করতে হলে ২য় বা তার অধিক স্ত্রী হিসেবে ডিভোর্সি নারীবাদীকে বিয়ে করবেন।

অনেকে চালাকি করে একের অধিক বিয়ের ক্ষেত্রে সমান অধিকার নিশ্চিত করার শর্ত দেন। এটা খুব সহজ। যদি স্ত্রী আপনার বাধ্যগত থাকে তাহলে তাকে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা সামর্থ্য অনুযায়ী দিতে পারেন। অন্যথায়, কেবলমাত্র খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে যতটুকু যা লাগে এর বাইরে আইনগতভাবে আপনি স্বামী হিসেবে একটা কানাকড়িও দিতে বাধ্য নন।

মূলত, স্ত্রীর ভরণপোষণ বলতে খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে নূন্যতম যতটুকু লাগে সেটুকু খরচ করা। কিন্তু স্বামীরা ভালোবেসে তারও অধিক খরচ করলে স্ত্রী সেটাকে অধিকার বলে মনে করেন এবং অন্যায় অযৌক্তিক বিলাসী আবদার করে বসেন। যা আসলে অনধিকার চর্চা।

অর্থাৎ, বাধ্যগত স্ত্রীর জন্যে ভালোবাসবেন উজাড় করে কিন্তু স্ত্রী অবাধ্য হলে উপরোক্ত নিয়মে তার রাশ টেনে ধরবেন।


ডিভোর্সি নারী নিয়ে আলোচনা, ডিভোর্সি পুরুষ নয় কেনোঃ

নারী হলো বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত্রের মতো। কারণ নারীর ঔরস হতে সন্তান জন্ম নিয়ে তবেই সমাজ সমৃদ্ধ হয়ে এগিয়ে চলে। নারী শস্যক্ষেত্র কারণ নারীর জন্মদানের ক্ষমতা আছে, পুরুষের নেই। পুরুষের ক্ষমতা আছে, নারীর জন্মদানের ক্ষমতাকে আগলিয়ে রাখার, যত্ন নেয়ার, প্রয়োজনীয় রসদ যোগান দেবার এবং শস্যের নিরাপত্তার যাবতীয় কলাকৌশল।

শস্যক্ষেত্রে যে ফসল ফলবে তার গুণগত মান যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা যতখানি, শস্যক্ষেত্রের মালিকের ক্ষেত্রে সেই প্রয়োজনীয়তা ততখানি নয়।

ধরুন, শস্যক্ষেত্রের মালিক যদি ল্যাংড়া-খোঁড়া হয় তাহলে কি শস্যক্ষেত্রে ভালো জাতের শস্য ফলাতে কোনো বাধা আছে ?
কিংবা ধরুন, শস্যক্ষেত্রের মালিক যদি দেখতে অসুন্দর কিংবা বোবা-কালা হয় তাহলে কি শস্যক্ষেত্রে উন্নত জাতের শস্য ফলাতে কোনো বাধা আছে ? উত্তর হলো না।

শস্যক্ষেত্রের মালিক যেমনই হোক না কেন, উন্নত ও ভালো জাতের শস্য ফলাতে শস্যক্ষেত্রের মালিকের তেমন কোনো বাধা নেই।

আবার ধরুন, নারী হলো তালার মতো এবং পুরুষ হলো চাবির মতো। কারণ নারীর মাঝে সহস্র রহস্য লুক্কায়িত থাকে এবং পুরুষ তালার ভেতর চাবি ঢুকিয়ে রহস্য আস্বাদন করে। এখন একটা তালা যদি দশটা চাবি দিয়ে খোলা যায় তাহলে সেটা নষ্টা তালা। আবার একটা চাবি দিয়ে দশটা তালা খোলা গেলে তাকে Master Key বলা হয়।

ঠিক এই সকল কারণেই নারীর পরিশুদ্ধতা পুরুষের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাই আলোচনাটাও ডিভোর্সি নারী নিয়ে বেশি কিন্তু ডিভোর্সি পুরুষ নিয়ে কম।


বিধবা বিবাহ নিয়ে কিছু কথাঃ

স্বামী মারা গেলে তবেই একজন নারী বিধবা হোন। এক্ষেত্রে এটি পুরোপুরিভাবে সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতাধীন ব্যাপার, যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক।

কিন্তু, অপরদিকে নারী ডিভোর্সী তখনই হয় যখন ম্বামীর সাথে ঝগড়া-ফ্যাসাদ লাগিয়ে নারী তার স্বামীর সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে।

সুতরাং, বোঝাই যাচ্ছে যে, বিধবা ও ডিভোর্সী দুটোই বিপরীতমুখী ঘটনা।

বিধবা হবার ব্যাপারটি প্রাকৃতিক হওয়ায় বিধবাদের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি দেখানোটা অত্যন্ত স্বাভাবিক।
কিন্তু তাই বলে ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারীকে বিধবাদের মতো সমভাবে সহানুভূতি দেখানো যাবে না। কারণ ডিভোর্স সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক একটি ব্যাপার।


পরিশিষ্টঃ

উপরোক্ত বক্তব্য, যুক্তি এবং পর্যালোচনা হতে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বিধবা নারীর পুনর্বিবাহে সমাজ গতিশীলতা পায়।

অপরদিকে ডিভোর্সি উগ্র নারীবাদীদের লাই দিয়ে মাথায় তুললে সামান্য কারণেই ডিভোর্সের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে উগ্র নারীবাদী নারীরা উদ্দুদ্ধ হয়।

ফলস্বরূপ, স্বামীহীন ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারী যার তার সাথে শুতে দ্বিধাবোধ করেনা। যা কিনা সমাজকে ধ্বংস করে এবং অন্যান্য স্বাভাবিক সুখী সংসারকে ভাঙ্গনের পথে ঠেলে দেয়।

তাই ডিভোর্সী উগ্র নারীবাদী নারী বিবাহকে না বলুন, জনমত গড়ে তুলুন এবং উগ্র নারীবাদীদের রুখে দিন সময় থাকতেই।

 
 
Reference / Source / Info / Book:
https://en.wikipedia.org/wiki/Sex_and_Culture
 https://www.amazon.com/Sex-Culture-Joseph-Daniel-Unwin/dp/1979867046
https://www.amazon.com/Why-Never-Remember-Women-Forget/dp/1594865272
https://gendermed.org/why-men-never-remember-and-women-never-forget/
https://markgungor.com/products/the-tale-of-two-brains

Download PDF:

Post a Comment

Please do not enter any spam link...

Previous Post Next Post